img

লম্বা চুলের জন্য যে খনিজ উপকরণগুলো জরুরি

প্রকাশিত :  ০৫:১৬, ০১ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:১৯, ০১ এপ্রিল ২০২৪

লম্বা চুলের জন্য যে খনিজ উপকরণগুলো জরুরি

চুলের সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপকরণ। চুলের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের খাদ্যাভ্যাস।

বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেলস সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেলে আপনার চুল সঠিক মাত্রায় লম্বায় বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে ভাল থাকবে চুলের স্বাস্থ্য। 

জেনে নেওয়া যাক কোন খনিজ উপাদানের কি কাজ আর এটি কতটুকু জরুরি।

জিংক বা দস্তা

জিংক বা দস্তা চুলের সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও চুলের রুক্ষ, শুষ্কভাব দূর করে এই খনিজ উপকরণ। এর পাশাপাশি চুল মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়া, চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যাও দূর করে জিংক সমৃদ্ধ খাবার।

জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেলে হেয়ার ফলিকলের মুখগুলি উন্মুক্ত হবে। ফলে নতুন চুল গজাবে। জিংক সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে মাংস, বাদাম, বিভিন্ন বিনজাতীয় শস্য, ডালজাতীয় শস্য এগুলি খেতে পারেন, চুলের বৃদ্ধি ঘটবে।


আয়োডিন

চুলের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ হল আয়োডিন। এই উপকরণ স্ক্যাল্প বা মাথার তালুতে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাহায্য করে। এছাড়াও সঠিক মাত্রায় থাইরয়েড হরমোনের ক্ষরণে সাহায্য করে যার ফলে নতুন চুল গজাতে পারে, চুল বৃদ্ধি পায় এবং চুলের ঘনত্ব বাড়ে।

খাবারের মধ্যে সঠিক পরিমাণে নুন থাকলেই আপনার শরীরে আর আয়োডিনের ঘাটতি হবে না। তাই বলে খাবারের পাতে কাঁচা নুন খেয়ে আয়োডিনের পরিমাণ বাড়াতে যাবেন না। তার জেরে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।


সেলেনিয়াম

এটি আসলে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের অনেক সমস্যা দূর করে। তার মধ্যে চুল পড়া, পাতলা চুল, খুশকি এইসব রয়েছে। এছাড়াও চুলের ঘনত্ব বাড়াতে এবং চুলের সঠিক বৃদ্ধিতেও এই উপকরণ সহায়তা করে।


img

গরমে বাইক চালাতে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

প্রকাশিত :  ১০:৩০, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে এই প্রচণ্ড রোদে অনেককে বাইরে বের হতে হচ্ছে । অনেকের ক্ষেত্রে চলাচলের জন্য মাধ্যম হলো বাইক বা মোটর সাইকেল। সূর্যের কড়া তাপে তাদের বাইক চালাতে হয়। কেবল রোদই নয়, সেইসঙ্গে থাকে গরম বাতাসও। যারা প্রতিদিন তীব্র রোদে বাইক চালাচ্ছেন, তাদের কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

হেলমেট ব্যবহার করুন

বাইক চালানোর সময় নিরাপত্তার জন্য তো বটেই, এছাড়া রোদ থেকে বাঁচার জন্যও হেলমেট ব্যবহার করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলোতে কালার চেঞ্জিং গ্লাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যে কারণে তীব্র রোদে চোখও আরাম পায়। সেইসঙ্গে ফুলহাতা ও সুতির পোশাক পরলে রোদের তাপ থেকেও বাঁচতে পারবেন।

ফুয়েল ট্যাঙ্ক

গরমের সময়ে বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ভরবেন না। কারণ তাপ সৃষ্টি হলে ডিজেল কিংবা পেট্রল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তেল লিক করলে তা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই গরমের সময়ে ফুয়েল ট্যাঙ্কের অর্ধেক বা চার ভাগের তিন ভাগ তেল নিন।

হাইড্রেটেড থাকুন

মোটরসাইকেল হোক বা সাইকেল, গিয়ারের চাপে গরম অসহ্য হবেই। এজন্য সঙ্গে পানি রাখুন। তীব্র রোদে গাড়ি চালালে ত্বকের ক্ষতি হয়। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন সানস্ক্রিন। গরমে দীর্ঘসময় বাইরে থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই হিট স্ট্রোকের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নিন। 

বাইকের কুল্যান্ট নিয়ে ভাবুন

গরমের সময় বাইকের কুল্যান্ট ঠিক আছে কী না দেখা জরুরি। এই কুল্যান্ট আসলে কী। কুল্যান্ট এক ধরনের তরল যা বাইকের ইঞ্জিনের মধ্যে তাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। সোজা ভাষায় এটি বাইকে কুলিং সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। অ্যান্টিফ্রিজ ও পানির মিশ্রণে তৈরি এই তরল গরমে বাইক সুরক্ষিত রাখে। এ কুল্যান্টের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখুন। কুল্যান্ট খারাপ হলে ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ইলেকট্রিক পার্টস

তাপদাহে বাইকের ইলেকট্রিক পার্টস ক্ষতি হতে পারে। কমিউটার মোটরসাইকেল হোক অথবা স্পোর্টস বাইক সব রকম টু হুইলারে থাকে একাধিক ইলেকট্রিক পার্টস। তাই রাইড করার সময় অতিরিক্ত ফিউজ সঙ্গে রাখতে পারেন। ব্যাটারির বিষয়টিও মনে রাখবেন।

টায়ারের ক্ষতি হতে সাবধান

গরমে টায়ার প্রেশার সাধারণ সময়ের থেকে একটু কম রাখা ভালো। চাকায় যদি বাতাসের বেগ বেশি থাকে তাহলে গরমকালে চাকা ফেটে যেতে পারে। যারা হাই স্পিডে বাইক চালান তাদের চাকা সরাসরি রাস্তার সংস্পর্শে আসলে অত্যধিক হিট তৈরি হয়। তাই সাবধান না থাকলে টায়ারের ক্ষতি হতে পারে।

ফুয়েল ট্যাংক

গরমে ফুয়েল ট্যাংকের দিকে বাড়তি নজর দিন। গরমের সময় ফুয়েল ট্যাংক সম্পূর্ণ পূর্ণ করা উচিত নয়। কারণ তাপ সৃষ্টি হলে পেট্রল কিংবা ডিজেল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গ্রীষ্মকালে ফুয়েল ট্যাংক ভরা থাকলে জ্বালানি উপচে পড়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই গরমকালে ফুয়েল ট্যাংক অর্ধেক অথবা চার ভাগের তিন ভাগ পূর্ণ করার চেষ্টা করুন।

চেইন লুব্রিকেট

গরমের সময় বাতাসে ধুলাবালি একটু বেশি থাকে। তাই কিছুদিন পর পর বাইকের চেইন পরিষ্কার ও লুব্রিকেট করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এটি করার ফলে বাইক আরও মসৃণভাবে চালানো যায়। লুব্রিকেটিং করার আগে বাইকের সব মোটরপার্টস অবশ্যই পরিষ্কার করে নিতে হবে।